ফটিকরায়-কাঞ্চনবাড়ি সড়কের সায়দারপার ভৈরব থলি এলাকায় ২৪ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ভৈরব মেলার আয়োজন করা হয়। মেলাকে সামনে রেখে মেলা কমিটি রাস্তায় দাড়িয়ে চাঁদা সংগ্রহ করছিল। শনিবার সকালে এলাকার এক কাঠ ব্যবসায়ী গাড়িতে করে কাঠ নিয়ে যাচ্ছিল। মেলা কমিটির সদস্যরা কাঠ বোঝাই গাড়িটিকে আটক করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। কিন্তু কাঠের মালিক মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে অস্বীকার করে। এই নিয়ে কাঠের মালিক ও মেলা কমিটির সদস্যদের মধ্যে বাকযুদ্ধ শুরু হয়। একটা সময় মেলা কমিটির সদস্যরা কাঠের মালিককে মারধর করে। পরবর্তী সময় কাঠের মালিকের হয়ে এক দল লোক পাল্টা আক্রমণ চালায়। এতে এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। নির্বিচারে ভাংচুর করা হয় বাড়ি গাড়ি, বাইক। এমনকি বাড়ি গাড়ি বাইক ভেঙ্গে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ দমকল বাহিনিকে খবর দেওয়ার পর দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছাতে বিলম্ব করে। আরও অভিযোগ দমকল বাহিনীর কর্মীদের ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাধা দান করা হয়। যার কারনে দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগে বেশ কয়েকটি বাড়ি, দোকান, গাড়ি ও বাইক পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে প্রথমে ফটিকরায় থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেছে দেখতে পেরে জেলা আরক্ষা প্রশাসনকে অবগত করে। সাথে সাথে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয় বিশাল পুলিশ, আসাম রাইফেল ও টিএসআর বাহিনীর। মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় জারি করা হয় ১৬৩ ধারা।

